স্মার্ট নেটওয়ার্ক সল্যুশনে হুয়াওয়ে আনছে সিপিই

৮ মে, ২০২৩ ১৫:০৩  

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের স্মার্ট সেবা’র মেরুদন্ড হচ্ছে নেটওয়ার্ক। প্রায়োগিক ভিন্নতার কারণে চতুর্থ ও পঞ্চম প্রজন্মের নেটওয়ার্ক সমান তালে বিচরণ করবে সোসাইটি ৫.০-তে । সেই সময়ে নেটওয়ার্ক সেবায় নেতৃত্ব দিতে হুয়াওয়ে এর ৫৩ শতাংশের মতো কর্মী গবেষণা ও উন্নয়নে কাজ করছে। এর মধ্যে নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা ও মালিদ্বীপ এবং বাংলাদেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশ থেকেই ব্যবসায় পরিচালনা করছে হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়া। স্থানীয় প্রয়োজন মেটাতে এখান থেকেই গবেষণা উন্নয়নের মাধ্যমে উদ্ভাবন করছে নতুন নতুন সেবা। গেলো বছর মোট আয়ের ২৫.১ শতাংশই বিনিয়েগ হয়েছে গবেষণা ও উন্নয়নে।

টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমায় হঠাৎ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ কিংবা পুরোন ঢাকার মতো ঘনত্বে নেটওয়ার্ক মান অক্ষুন্ন রাখতে বিশেষায়িত সেবা দেয়ার পাশাপাশি এবার বাণিজ্যিক প্রয়োজনে ৫জি মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা ব্যবহারকারীর হাতের নাগালে নিয়ে আসতে আনতে যাচ্ছে ফিক্সড ওয়্যারলেস প্রযুক্তির নতুন সল্যুশন কাস্টমার প্রেমিসেস ইক্যুইপমেন্ট (সিপিই)। এটি ছাড়াও ক্লাউড, শক্তি সাশ্রয়ী ও সুবজ প্রযুক্তি ব্যবসায় বান্ধব নানান নেটওয়ার্ক সল্যুশন নিয়ে চলতি মাস জুড়ে নলেজ শেয়ারিং সেশন করছে হুয়াওয়ে বাংলাদেশ।

আইসিটি ও টেলিকম খাতের গণমাধ্যম কর্মীদের নিয়ে সোমবার রাজধানীর গুলশানে হুয়াওয়ে বাংলাদেশ একাডেমিতে অনুষ্ঠিত মিডিয়া সেশনে হুয়াওয়ের সাউথ এশিয়া অফিসের প্রিন্সিপাল মার্কেটিং ম্যানেজার এস এম নাজমুল হাসান ও হেড অব মিডিয়া তানভীর আহমেদ।

দেশের আইসিটি ও টেলিকম খাতের জন্য মাসব্যাপী সেমিনার আয়োজন হুয়াওয়ের

‘গাইড টু দ্য ইন্টেলিজেন্ট বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই সেমিনারে বাংলাদেশের জন্য প্রাসঙ্গিক বর্তমান বিশ্বের নতুন অনেক উদ্ভাবন ও সল্যুশন নিয়ে আলোচনা করা হয়। জানানো হয়, আইসিটি ও টেলিকম খাতের সহযোগীদের অংশগ্রহণে এই কর্মশালা চলবে মে মাস জুড়েই। সেমিনারে তুলে ধরা হবে হুয়াওয়ের নতুন প্রতিবাদ্য গাইড (জিইউআইডিই), যার পূর্ণ রূপ হচ্ছে: গিগাভার্স ইনিশিয়েটিভ, আল্ট্রা-অটোমেশন স্পিডআপ, ইনটেলিজেন্ট কম্পিউটিং অ্যান্ড নেটওয়ার্ক অ্যাজ আ সার্ভিস, ডিফারেনশিয়েটেড এক্সপেরিয়েন্স অন ডিমান্ড, ও এনভায়রনমেন্টাল, সোশ্যাল অ্যান্ড গভার্নেন্স।

অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার মার্কেটিং ম্যানেজার এস এম নাজমুল হাসান বলেন, “বিভিন্ন খাতে দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তি এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ও ডিজিটাল রূপান্তর ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে আমাদের সঠিক প্রযুক্তিগত সমাধান চিহ্নিত করার মধ্য দিয়ে সে সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। উদ্ভাবন হুয়াওয়ের মূল চালিকাশক্তি; আমাদের প্রতিষ্ঠানের অর্ধেকেরও বেশি কর্মী গবেষণা ও উন্নয়ন (রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট- আরঅ্যান্ডডি) কর্মী হিসেবে নিয়োজিত। আমাদের বিনিয়োগের একটি বড় অংশই ব্যয় হয় গবেষণা ও উন্নয়নে। শুধুমাত্র ২০২২ সালেই আমাদের আয়ের ২৫.১ শতাংশ (প্রায় দুই লক্ষ ৫০ হাজার কোটি টাকা)  গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিশ্বের বিভিন্ন প্রকল্পে আমাদের সমাধান ব্যবহার করার মধ্য দিয়ে আমরা বিস্তৃত অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। বাংলাদেশের ইকোসিস্টেমের জন্যও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন উদ্ভাবন ও খাতের অগ্রগতির ক্ষেত্রে মত বিনিময় আমাদের দেশের রূপান্তরে ও দেশকে সমৃদ্ধ করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে আমাদের বিশ্বাস। এর মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশের লক্ষ্য বাস্তবায়নের দিকে আমরা আরেকটু এগিয়ে যাবো।”

অপরদিকে তারভীর আহমেদ জানান, হুয়াওয়ের গবেষণা ও উন্নয়ন এবং সল্যুশন বিষয়ে জানাতে বিভিন্ন খাতের অতিথিদের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হবে। অতিথিরা পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী এসে আয়োজনটি ঘুরে দেখবেন ও হুয়াওয়ে বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে সরাসরি অভিজ্ঞতা লাভের সুযোগ পাবেন।

প্রসঙ্গত হুয়াওয়ে বেস্ট মোবাইল ইনোভেশন ফর এমার্জিং মার্কেটস, ফাইভজি ইন্ডাস্ট্রি চ্যালেঞ্জ, বেস্ট মোবাইল টেকনোলোজি ব্রেকথ্রু ও বেস্ট মোবাইল নেটওয়ার্ক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের জন্য এমডব্লিউসি বার্সেলোনা ২০২৩ ফর গ্লোমো’র চারটি পুরস্কার অর্জন করেছে।